শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ভাগ্য কিভাবে বদলে যাবে


জ্যোতিষশাস্ত্ৰ বা Astrology জ্যোতিষ শব্দের উৎপত্তি



জ্যোতিষশাস্ত্ৰ বা Astrology জ্যোতিষ শব্দের উৎপত্তি জ্যোতি বা Light হইতে। যে শাস্ত্ৰে জ্যোতিষ্ক অৰ্থাৎ গ্ৰহ, নক্ষত্ৰ ইত্যাদির সামগ্রিক জ্ঞান সবিস্তারে আলোচিত হয় তাহাই জ্যোতিষশাস্ত্ৰ। আবার, গ্ৰীকভাষা হইতে“ Astrology" শব্দের উৎপত্তি। Aster’ অৰ্থে" star বা নক্ষত্ৰরাজি এবং Logos' অৰ্থে Logic বা যুক্তি। সংস্কৃতে ইহাকে হোরাশাস্ত্ৰ বা Science of time অথবা জ্যোতিষ বা Light Sources বলা হয়। আবার, জ্যোতি সৰ্বজ্ঞানের আধার বলিয়া জ্যোতিষ কে বেদের চক্ষুস্বরূপ বলা হয়। জ্যোতিষ প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানের সমস্ত শাখাগুলির একটি সংশ্লেষণ। এটি বিভিন্ন প্রবর্তন, জ্যোতির্বিদ্যা, ঔষধ, জীববিদ্যা, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান এবং অন্যান্য অনেকগুলি আধুনিক বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত।



<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>
<script>
  (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
    google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280",
    enable_page_level_ads: true
  });
</script>
<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script> <script> (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({ google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280", enable_page_level_ads: true }); </script>
<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script> <script> (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({ google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280", enable_page_level_ads: true }); </script>
<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script> <script> (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({ google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280", enable_page_level_ads: true }); </script>

রাশি অনুযায়ী দেখে নিন আপনার কোন বন্ধু কেমন|

জীবনে চলতে গেলে বন্ধুর সান্নিধ্য চাই সবারই। আবার চলতি পথে ব্যস্ততা কিংবা জীবন ধারার অদল - বদলের কারণে অনেক বন্ধুকে হয়তো নেহাত অনিচ্ছাতেই হারিয়ে ফেলি আমরা।
তাই রাশি অনুযায়ী দেখে নিন আপনার কোন বন্ধু কেমন|
মেষ রাশি : এই রাশির জাতক/জাতিকা নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করতে ভালোবাসেন। কিছুটা জেদি, আবার কিছুটা ডমিনেটিংও হন। তবে বিপদেআপদে বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে দু’বার ভাবেন না। মেষ রাশির সঙ্গে সিংহ বা ধনু রাশির ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কুম্ভ, তুলা বা মিথুন রাশির সঙ্গে সম্পর্ক মন্দ হয় না। কিন্তু বৃষ, কন্যা বা মকর রাশির মানুষজন ভালো বন্ধু হতে পারেন, আবার নাও হতে পারেন।
বৃষ রাশি : তোড়েঙ্গে দম মাগার তেরা সাথ না ছোড়েঙ্গে। এমনই বন্ধুত্ব নেভায় বৃষ রাশির জাতকরা। একবার কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব হলে জীবনভর সেই সম্পর্ক অটুট রাখে। তবে সহজেই চট করে কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন না বৃষ রাশির জাতকরা। কন্যা ও মকর রাশির জাতকদের সঙ্গে বৃষ রাশি ভালো বন্ধুত্ব হয়। কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির সঙ্গে সাধারণ বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির জাতকরা কখনও বৃষ রাশির ভালো বন্ধু হন না।
মিথুন রাশি : কথাবার্তায় নম্রতা ও ভালোবাসায় সকলের মন জয় করে নেন মিথুন রাশির জাতকরা। এবং বন্ধুদের মধ্যেও সেই গুণ খুঁজতে থাকে। কঠিন সময়ে সুপরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে মিথুন রাশির জুড়ি মেলা ভার। তুলা ও কুম্ভ রাশি জাতকরা মিথুন রাশির জাতকদের ভালো বন্ধু। তবে সিংহ, মেষ বা ধনু রাশির জাতকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব টেকে না।
কর্কট রাশি : ভরসা ও বিশ্বাসের উপর ভর করে কর্কট রাশির জাতকরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন। বন্ধুর সমস্যার সমাধান করা এবং সুপরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে নিজের সমস্যা ও অনুভূতি বন্ধুর সঙ্গে সহজে ভাগ করে নিতে পারেন না। নিজের রাশির জাতকদের সঙ্গে সবচেয়ে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তাছাড়া, বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতকদের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। বৃষ, কন্যা ও মকর রাশির জাতকদের সঙ্গে মোটামুটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে মেষ, সিংহ বা ধনু রাশির জাতকদের সঙ্গে যতটা সম্ভব দূরত্ব রাখাই ভালো।
সিংহ রাশি : খুব সহজেই সকলের সঙ্গে মিশতে পারেন সিংহ রাশির জাতকরা। সকলের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নেন। বন্ধুর জন্য কখনও মনে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা আনেন না। খুব সহজেই বন্ধুদের ভুলত্রুটি মাফ করে দেন। বন্ধুদের যথাযোগ্য সম্মান দেন। নিজের রাশা ছাড়া মেষ ও ধনু রাশির জাতকদের সঙ্গে ভালো বন্ধত্ব গড়ে ওঠে সিংহ রাশির জাতকদের। মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির জাতকদের সঙ্গে সাধারণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার আগে দু’বার ভাবা দরকার। কে বলতে পারে, সামনে ভালো ব্যবহার করলেও পিছনে গিয়ে আপনার দুর্নাম করবে না।
কন্যা রাশি : ইমোশনের থেকে অনেক বেশি বুদ্ধিমত্তার কদর করেন
কন্যা রাশির জাতকরা। অনেক বেশি সমঝদার হন। বন্ধুদের সমস্যা বোঝা এবং তাকে সাহায্য করতে সবার আগে এগিয়ে আসেন। নিজের রাশি এবং বৃষ ও কন্যা রাশির জাতকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব অনেকদিন পর্যন্ত টেকে। মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির সঙ্গে ভালো সম্পর্কও যেমন গড়ে উঠতে পারে, তেমনই সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। তবে তুলা, মিথুন ও কুম্ভ রাশির জাতকদের থেকে দূরে থাকুন।
তুলা রাশি : সবার সঙ্গে খুব সহজেই মিশতে পারেন তুলা রাশির জাতকরা। অনেক ধরনের বন্ধু থাকে তাঁদের। বন্ধুত্বের অটুট রিস্তা বজায় রাখার জন্য যাবতীয় সবকিছু করতে পারেন তুলা রাশির লোকজন। মিথুন ও কুম্ভ এবং নিজের রাশির জাতকরা ভালো বন্ধু হয়ে ওঠে। মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির জাতকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠবে তেমন একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির লোকজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব টিকতেও পারে আবার নাও টিকতে পারে। বৃষ কন্যা ও মকর রাশির জাতকরা ভালো বন্ধু হয়ে উঠতে পারে না।
বৃশ্চিক রাশি : সত্যিকারের বন্ধু যদি হয়, তবে সে বৃশ্চিক রাশির জাতকরা। বন্ধুদের সম্পর্ক কীভাবে নেভাতে হয়, তাঁরা খুব ভালো বোঝেন। তবে স্মৃতিশক্তি প্রখর হওয়ার কারণে বন্ধুদের ভুলত্রুটি সহজে ভুলে যেতে পারেন না। কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির লোকজনের সঙ্গে গলায় গলায় বন্ধুত্ব হয় বৃশ্চিক রাশির জাতকদের। মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির জাতকদের সঙ্গে বন্ধু হলেও তেমন একটা সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে না। মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির জাতকরা এঁদের কখনও ভালো বন্ধু হন না।
ধনু রাশি : মনে যা মুখেও তা। ধনু রাশির জাতকদের সম্পর্কে এই কথা বলা যায়। কঠিন সত্যও এঁরা যেমন সহজেই মুখের উপর বলতে পারেন, তেমনই প্রশংসাও করতে ভোলেন না। মনে কোনও নেতিবাচকতা থাকে না ধনু রাশির জাতকদের। তাই চোখ বুজে যদি ভরসা করতে চান, ধনু রাশির জাতকদের জুড়ি মেলা ভার। মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির জাতকদের সঙ্গে তাঁদের সখত্যা বেশি থাকে। কর্কট বৃষ ও মীন রাশির জাতকদের এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ, এরা ভালো বন্ধু হতে পারেন না।
মকর রাশি : জীবনে একজন ভালো বন্ধু প্রয়োজন সবার থাকে। যার সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করা যায়। যে কোনও পরিস্থিতিতে কারও সঙ্গ পাওয়া যায়। এইসব দিক থেকে মকর রাশির জাতকরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে ওঠে বৃষ ও কন্যা রাশির জাতকদের। কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতকদের সঙ্গে সম্পর্ক সাধারণ হয়। মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির লোকজন এড়িয়ে চলুন। এদের সঙ্গে বন্ধুত্ব না করাই ভালো।
কুম্ভ রাশি : বন্ধুদের জন্য সদা প্রস্তুত। বিপদে আপদে বন্ধুদের পাশে থাকা এবং সবসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন কুম্ভ রাশির জাতকরা। নিজের রাশি এবং মিথুন ও তুলা রাশির জাতকদের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে কুম্ভ রাশির জাতকদের। কিন্তু মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির জাতকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা ঠিক নয়।
মীন রাশি : মীন রাশির জাতকরা দয়ালু ও বিশ্বস্ত হন। বন্ধুদের সমস্যা নিজের কাঁধে নিতে দু’বার ভাবেন না। কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতকরা ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন। মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির জাতকদের সঙ্গে মোটামুটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির জাতকদের থেকে দূরে থাকুন।

জ্যোতিষ আসলে কি?

জ্যোতিষ আসলে কি?
খুব সহজভাবে বলতে গেলে---------------- জ্যোতিষ হল এমন এক বিদ্যা বা জ্ঞান যা দ্বারা গ্রহ ও নক্ষত্র এবং তাদের অবস্থানের মাধ্যমে মানুষের এবং মানুষের জীবনের বিভিন্ন বিষয়, ঘটনা ইত্যাদি ব্যাখ্যা করা বা আগে থেকেই জানা যায়। আপনি দেখবেন যে বেশির ভাগ মানুষ এটাকে হাস্যকর কুসংস্কার ভাবেন। সেটার জন্য তাদের দোষ দেয়া উচিত না, তারা আসলে বিষয়টা ভালমতো জানেন না, তাই তারা এমনটা ভেবে থাকেন। অথবা তারা কেউ হয়ত কোন অযোগ্য জ্যোতিষীর সাথে কথা বলে (consult) ভাল ফলাফল পান নি।
আসলে, জ্যোতিষের একটা সমস্যা হল, বিজ্ঞান হবার সব উপাদানই (elements) এর মধ্যে আছে। কিন্তু এটা সেরকমভাবে বিজ্ঞান হিসেবে বিকশিত (develop) হয়নি। এর অনেকগুলো কারণ আছে। মূল যে কারণ, সেটা হল, যে ঈশ্বর বা প্রকৃতি ('divinity' আমার কাছে সবচেয়ে ভাল শব্দ) কখনই চায় না যে, মানুষ "প্রকৃত জ্যোতিষ" এত সহজে জেনে যাক, বা এর সব সূত্র, নিয়ম-কানুন বিজ্ঞানের সূত্রাবলীর মত পরিষ্কার হয়ে যাক। তাহলে সব মানুষের কাছে তার ভবিষ্যৎ জলের মত পরিষ্কার হয়ে যেত। প্রকৃতি চায় যে খুব কম লোকের কাছেই এটার আসল জ্ঞানটা থাকুক আর খুব কম লোকই এর মাধ্যমে উপকৃত হোক। কারণ, জ্যোতিষের ভবিষ্যৎ গণনা করার ক্ষমতা এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা অত্যন্ত ব্যাপক এবং শক্তিশালী, কিন্তু - জ্যোতিষের একটি সমস্যা হল, বিজ্ঞানের বিষয়ের মত, এর কোন পাঠ্যসূচী / কারিকুলাম (curriculum) নেই। যেমন, ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলে কোন মেডিকেল কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে মন দিয়ে পড়াশোনা করতে থাকলেই হল। বই-পুস্তক এবং শিক্ষকরাই বাকিটা করবে। কিন্তু, জ্যোতিষের ক্ষেত্রে, সেরকম নির্দিষ্ট কোন বই-পুস্তক নেই, যেগুলো খুব ভাল মত পড়লেই আপনি ভবিষ্যৎ বলতে শিখে ফেলবেন। হ্যাঁ, কিছু প্রতিষ্ঠানে জ্যোতিষ একটি বিষয় হিসেবে পড়ানো হয় বটে। পাঠ্যসূচীতে থাকে কিছু প্রাচীন / পুরাণিক গ্রন্থসমূহ আর আধুনিক যুগের নামকরা কিছু বই। আমার কাছেও এমন অর্ধ-শতাধিক বই আছে, কিন্তু বাস্তব জীবনের জ্যোতিষ বা ভবিষ্যৎ বলার জ্ঞান এসব বইয়ের থেকে অনেক বেশি আলাদা। এসব বই শুধুমাত্র আপনাকে কিছু মৌলিক ধারণা (basic concepts) দিতে পারবে, এর বেশি কিছু নয়।
তাই জ্যোতিষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল - এখানে অন্য বিষয়সমূহের মত কোন রেডি-মেইড (ready-made) জ্ঞান নেই, যে আপনি এসেই জ্ঞান আহরণ করা / শেখা শুরু করে দেবেন। এখানে প্রথমে নিজে নিজে গবেষণা করে জ্ঞান 'তৈরি' করতে হয়। যা বেশির ভাগ লোকের পক্ষেই করা সম্ভব হয় না। এটা প্রচুর ধৈর্য, পরিশ্রম, আর লেগে থাকার ব্যাপার। আর হ্যাঁ, মেধা তো থাকতেই হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমি প্রায় গত ৫ - ৬ বছর ধরে, জ্যোতিষের বিষয়ের (topic) উপর পড়াশোনা করে বিষয়টা বোঝার, এবং শেখার চেষ্টা করছি। প্রথম প্রথম আমার মনে হত এই বিষয় টার মধ্যে কিছু নাই একটি ভুল বিষয় কিন্তু অনেক ধৈর্যের সাথে এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। অনেক অজানাকে জানতে পেরেছি ।
আসলে, প্রকৃত ভাল জ্যোতিষী খুব কমই আছেন। আমি বাইরের বহু জ্যোতিষীকে চিনি, যারা বেশ নাম করেছেন, অথচ তারা একেবারে খুব হালকা জ্ঞান / সাদাসিধা কিছু ধারনা (general concepts) নিয়ে জ্যোতিষ পেশা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর আরেকটা বড় সমস্যা হল, জ্যোতিষে বিভিন্ন মৌলিক তত্ত্ব (basic theories / concepts) নিয়ে বড়বড় জ্যোতিষীদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। এটা অবশ্যই সমস্ত জ্যোতিষী-সমাজের জন্য খুব বিব্রতকর বা লজ্জাজনক। কারণ, একটি বিষয়ে সম্পূর্ণ আলাদা বা বিপরীত দুটো তত্ত্ব (theory) তো একইসাথে সত্য হতে পারে না। যে কোন একটা সত্য হবে। তবে, বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গবেষণার পর এসব বিতর্কিত বিষয়ে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
যাই হোক, এমন বিভিন্ন কারণে আজকাল প্রকৃত জ্যোতিষী পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। ফলে, মানুষ এতে বিশ্বাস করছে না।
আর যারা এতে বিশ্বাস করেন - তাদের মধ্যে দুই ধরনের লোক দেখা যায়। একদল একে এক ধরনের ঐশ্বরিক (divine) বা অতিপ্রাকৃত (occult) বিষয় হিসেবে নিয়ে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের ঊর্ধ্বে রাখতে চান। অন্যদল একে বিশ্বাস করেন এবং একইসাথে একে একটি 'বিজ্ঞান' বা 'বৈজ্ঞানিক বিষয়' হিসেবে দেখেন।
জ্যোতিষ মোতাবেক আমাদের চারপাশের সকল মানুষ, জীবজন্তু, বস্তু, ঘটনা, বিষয় ইত্যাদি গ্রহ-নক্ষত্রের সাথে সম্পর্কযুক্ত। যে কোন ঘটনা গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান দ্বারা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। তাই উল্টো করে হিসাব করলে, যেহেতু গ্রহদের ভবিষ্যৎ অবস্থান আগে থেকেই হিসাব করা যায় - তাই গ্রহদের ভবিষ্যৎ অবস্থান আগে থেকেই জেনে নিয়ে সেটাকে জ্যোতিষ দিয়ে ব্যাখ্যা করে ভবিষ্যতের ঘটনা বোঝা সম্ভব। অন্যকথায় 'ভবিষ্যদ্বাণী' করা সম্ভব।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় - আপনি যদি চাকরিতে প্রমোশন পান তখন ওই সময়ের গ্রহাবস্থান বিশ্লেষণ করলে এমন কিছু একটা ঘটবে তেমন আভাস পাওয়া যাবে। আবার, উল্টো করে হিসাব করলে - এই ধরনের গ্রহাবস্থান আবার ভবিষ্যতে কবে হবে সেটা এখনই হিসাব করে বের করে ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় যে অমুক সময়ে আপনার জীবনে এই রকম প্রমোশন বা একই জাতীয় একটা কিছু ঘটতে পারে।





<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>
<script>
  (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
    google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280",
    enable_page_level_ads: true
  });
</script>

মনকে জয় করুণ

সাফল্য সবাই চায় কিন্তু সবাই পায় না
কারণ :- সবাই নিজের মনকে জয় করতে পারেনা,
মন চায় আনন্দ পেতে  যেভাবেই পাওয়া যায়,
যেমন ধরুন আপনার টিভি দেখতে ভালো লাগে বা আপনি রোজ টিভিতে কোন সিরিয়াল দেখেন,
আপনার সন্তানের স্কুলে পরিক্ষা এগিয়ে এসেছে,
আপনার বুদ্ধি বলে আজ থেকে সন্তানকে নিয়ে পরাতে বসবেন, কিন্তু তা আর হয়ে ওঠে না, কেননা সময় হলেই আপনার মনে সারা দেয়, সিরিয়ালের ঘটনা আপনি মনে করেন আজ দেখি কাল থেকে পরাবো,
রোজ এই ভাবেই কেটে গেল পরিক্ষা ও চলে এলো আপনার আর পরানো হলো না |
এটা একটা কাল্পনিক ঘটনা,এর পরের ঘটনা আপনারাই কল্পনা করে নিন,
এবার ভেবে দেখুন আপনার কি বুদ্ধি ছিল না?
বুদ্ধি ছিল কিন্তু মনের সাথে যুদ্ধ করে হেরে গেছে,
আপনার মন বুদ্ধি দিয়ে নিজের কাজ করাচ্ছে,
যেমন কি করে টিভির কাছে যেতে হবে কিভাবে টিভি চালু করতে হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি |
তাহলে কি করতে হবে?
মনকে বুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত করতে হবে
কিন্তু এটা তো সহজ কথা নয়,
কিভাবে করা যায়, বুদ্ধি কে মনের বিরুদ্ধে সবসময় যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, যেমন আপনার বুদ্ধি ছিল সন্তানকে নিয়ে পড়াতে বসবেন, কিন্তু তা আর হলো না কেননা আপনার বুদ্ধি ছিল অল্প সময়ের জন্য মন ছিল বেশি শক্তিশালী, বুদ্ধিকে শক্তিশালী করতে তাকে ব্যবহার করুন, যেমন বুদ্ধি এসেছিল পড়াতে হবে তার সাথে যোগ করুন না পড়ালে কি হবে, দেখবেন যে আপনার অভিজ্ঞতার অনেক কিছুই আপনার অনুভূতি হবে, আপনাকে অনেক ঘটনা মনে করিয়ে দেবে যে না পড়ালে কি হয়, মন শান্ত হবে টিভির কথা মনে করবে না, এই ভাবে বুদ্ধি পরিচালিত করুন আপনার মন আপনার বুদ্ধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে |
যত দিন না মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না
তত দিন সাফল্যের আশা না করাই ভালো |
(Astrologer Prodyut Acharya
Mobile 9333122768)






<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>
<script>
  (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
    google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280",
    enable_page_level_ads: true
  });
</script>


জীবন দর্শন

গল্পে_গল্পে_ধর্মজ্ঞান...
একদিন এক ধার্মিক লোক চুল কাটতে
গেছে নাপিতের দোকানে।
কিন্তু নাপিতটি ধর্মে বিশ্বাসি নয়,
সে চুল কাটার সময় ধার্মিক লোকটিকে
বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে বুজাতে চাচ্ছে যে
সৃষ্টিকর্তা নেই।
নাপিতটি বলতে লাগলঃ যদি ঈশ্বর
থাকত তাহলে এত লোক অনাহারে
মরত না। সে বাইরে একটা বস্ত্রহীন
মানুষ দেখিয়ে বললঃ যদি ঈশ্বর থাকত
তাহলে ওই লোক অনাহারে কেন?
ধার্মিক লোকটা কিছু বলল না।
চুপ চাপ শুনে যেতে লাগল।
এরপর যখন তার চুল কাটা শেষ
হল সে বাইরে গেল এবং নাপিতকে
বাইরে ডেকে বললঃ এই এলাকায়
কোন নাপিত নেই।
নাপিত তার কথায় অবাক হয়ে গেল
এবং বললঃ নাপিত না থাকলে
আপনার চুল কাটল কে?
তারপর ধার্মিক লোকটা কত গুলো
লম্বা চুল ওয়ালা মানুষকে দেখিয়ে
বললঃ নাপিত থাকলে ঐ লোক
গুলোর চুল লম্বা কেন?
নাপিত বললঃ ওই লোক গুলো কে ত
আমার কাছে আসতে হবে। আমার
কাছে না আসলে অথবা আমাকে না
বললে আমি কি কিছু করতে পারব?
ধার্মিক লোকটা তখন বললঃ তেমনি,
সৃষ্টিকর্তার কাছে না গেলে, সৃষ্টিকর্তাকে
না ডাকলে সৃষ্টিকর্তা তোমার জন্য কি করতে পারে??
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

ভাগ্য কিভাবে খারাপ হয়

প্রত্যেক মানুষের মনে কিছু না কিছু সখ থাকে,
সেই ইচ্ছা পুরণ করতে সবাই কিছু না কিছু করে, সখ পরিকল্পনা মাফিক হলে ভালো নইলে বিপদ,
যেমন ধরুন আপনার বন্ধু একটা গাড়ি 🚘 কিনেছে তাই দেখে আপনারও ইচ্ছে হলো গাড়ি 🚙 কিনবার,
এখন আপনার মনে একটা চিন্তা
ও গাড়ি কিনেছে আমি কিনতে পারলাম না, এইসব ভাবতে ভাবতে
আপনার মনে এখন একটাই ইচ্ছে যে করে হোক গাড়ি
আমাকে কিনতেই হবে, যত দিন না আপনি গাড়ি কিনছেন ততদিন পর্যন্ত কোন কিছুই আর ভালো লাগছে না, আপনি জানেন যে আপনার সামর্থ্য নেই গাড়ি কেনার, কিন্তু ভাবতে 
 ভাবতে  আপনার সখ খুবই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, আপনার জমানো টাকা এবং আরও কিছু টাঁকা লোন করে গাড়ি 🚙 কিনেই নিলেন হয়ে গেল স্বপ্ন পূরণ,
আপনার যা জমানো টাকা ছিল সব খরচ, হাত একেবারে শূন্য,
সম্বল কেবল আপনি যেই কাজ করেন সেটাই, তার উপরে লোনের টাকার চাপ, আর নিজের সংসার,
সব মিলিয়ে আপনি অসহায়, এই ব্যাপারটা খবর পেয়ে গেল আপনার অফিসের বস, সে আপনাকে বেশি কাজের চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ সে জানে আপনার হাত শূন্য ও লোনের চাপে আছেন টাকা না দিতে পারলে গাড়ি হাত ছাড়া হয়ে যাবে সুতরাং কাজ আপনাকে করতেই হবে, আপনারও কোন উপায় নেই,
অফিসে বসের ঝাঝানি খেয়ে বেশি খাটুনি খেটে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল, বাড়ি ফিরে এসে দেখবেন সবার ভুল গুলো আপনার চোখে পড়ছে
(যেগুলো আগে আপনি ইগনোর করতেন) তার জন্য আপনার মেজাজ আরো খারাপ হচ্ছে,
এবার আপনি ভাবছেন আপনার কপালই খারাপ
তাই আপনার এত সমস্যা হচ্ছে,
আসলে কপাল খারাপ না, আপনার অ-পরিকল্পিত ইচ্ছে বা সখটা খারাপ, যার কারণে আপনাকে এত দুর্ভোগ ভোগ করতে হচ্ছে, সুতরাং স্সাখ বা  করুন ভেবেচিন্তে |
নমস্কার
(Astrologer Prodyut Acharya
Mobile :-9333122768)

<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>
<script>
  (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
    google_ad_client: "ca-pub-5829455430990280",
    enable_page_level_ads: true
  });
</script>